No Image

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পর্যটন শিল্প

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অনন্যা আধার- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা। নলখাগড়ার বন থেকে খাগড়াছড়ি নামের উৎপত্তি। ১৯৮৩ সালের ৭ নভেম্বর গঠিত হয় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।  বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বকোণে এর অবস্থান । দেশের এক রূপময় খন্ড পার্বত্য এই জেলার।  মহালছড়ি,দিঘীনালা,পানছড়ি,রামগড়,গুইমারা, লক্ষীছড়ি,মানিকছড়ি, মাটিরাংগা- যে দিকেই চোখ যায় সবুজে,আদর-বিধূর প্রগাঢ়ে নিবদ্ধ থাকে নয়নমনি। উঁচু-নীচু পাহাড়,পাহাড়ী পথ,ছোট ছোট নদী-ছড়া,ঐতিহ্যময় পাহাড়ী জনতার নির্মোহ চলন, পাখির কুজন,ফুলের সুবাস,সবুজের সমারোহ,বৃক্ষের রকমতা-আর কি চাই! প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের দিক দিয়ে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সবুজ পাহাড়ী উপত্যকার নয়নাভিরাম দৃশ্য সত্যিই অপূর্ব। তাছাড়া, এ অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য মুগ্ধ করবে যে কাউকে।

  • আলুটিলা: সৌন্দর্য্যের ঐশ্বর্যময় অহঙ্কার খাগড়াছড়ি শহরের প্রবেশ পথ আলুটিলা। জেলা সদর থেকে মাত্র ৮ কিঃমিঃ পশ্চিমে এ আলুটিলা। প্রায় হাজার ফুট উঁচু এ ভূ-নন্দন বিন্দুটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম ব্যতিক্রমধর্মী পর্যটন স্পট। এ টিলার মাথায় দাঁড়ালে শহরের ছোট/খাট ভবন,বৃক্ষ শোভিত পাহাড়,চেঙ্গী নদীর প্রবাহ ও আকাশের আল্পনা মনকে অপার্থিব মুগ্ধতায় ভরে তোলে। প্রাকৃতিক নৈসর্গের এ স্থানটিকে আরো আকর্ষণীয় করা লক্ষ্যে সরকার এখানে ইকো-পার্ক স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণের জন্য টিলায় একটি আধুনিক মানের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার আছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের একটি চমৎকার ডাকবাংলোও রয়েছে এখানে।
  • আলুটিলার সুরঙ্গ বা রহস্যময় গুহা : গা ছম ছম করা অনুভূতি নিয়ে পাহাড়ী সুরঙ্গ পথ বেয়ে পাতালে নেমে যাওয়া কল্পনার হলেও আলুটিলার সুরঙ্গ কল্পনার কিছু নয়। পাহাড়ের চুড়া থেকে ২৬৬টি সিড়িঁ বেয়ে নীচে নেমেই সেই স্বপ্নীল গুহামুখ। আলুটিলা সুরঙ্গের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮২ফুট। অনবদ্য রহস্যের উৎস প্রাকৃতিক এ সুড়ঙ্গের ভেতরটা দেখলে অবিশ্বাস্য বিস্ময়ে মন হতবাক হয়ে যায়। মনে হয় যেন নিখুঁতভাবে ছেনি দিয়ে পাহাড় কেটে কয়েক হাজার দক্ষ কারিগর এ গুহাটি তৈরি করেছে।
  • জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক:  জেলা সদরের জিরো মাইল এলাকায় প্রায় ২৪ একর জায়গা জুড়ে এ পার্কটির অবস্থান । দুই পাহাড়ের সংযোগে এখানে রয়েছে ঝুলন্ত ব্রীজ, ফুড কর্ণার এবং পাশে রয়েছে সুন্দর একটা লেক।  পার্কের ফুড  জোনে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবার সহ বিভিন্ন রকমের ফাষ্ট ফুডের ষ্টল রয়েছে। পার্কে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সভা, পিকনিক, সামাজিক/সাংসকৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য হলরূম ও উম্মুক্ত মঞ্চ এবং সাময়িক অবস্থানের জন্য গেষ্টহাউজের ব্যবস্থা রয়েছে। হর্টিকালচার পার্কের অধিকাংশ জায়গা জুড়ে রয়েছে ফুল, ফলদ ও ঔষধি মাতৃগাছের চারা/কলম/বীজ উৎপাদনের বিশাল আয়োজন। হর্টিকালচার পার্কে শিশুদের বিনোদনের লক্ষ্যে শিশু পার্ক/কিডস জোনে খেলার সরঞ্জমাদিসহ আকর্ষণীয় রাইডস  স্থাপন করা হয়েছে। সবুজ  বেষ্টনী এবং কৃত্রিম হ্রদে বিকেল বেলা বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য একটি অনন্য সুন্দর হর্টিকালচার পার্ক। খাগড়াছড়ি পার্বত্য  জেলা পরিষদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এ পার্কটি বর্তমানে খাগড়াছড়ি শহরের একটি আকর্ষণীয় পর্যটন সপট হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
  • দেবতা পুকুর : জেলা সদর থেকে মাত্র ০৫কিঃমিঃ দক্ষিণে খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি সড়কের কোল ঘেঁষে অবসি'ত মাইসছড়ি এলাকার নুনছড়ি মৌজার আলুটিলা পর্বত শ্রেণী হতে সৃষ্ট ছোট্ট নদী নুনছড়ি। নুনছড়ি নদীর ক্ষীণ স্রোতের মাঝে রয়েছে প্রকান্ড পাথর। স্বচ্ছ জলস্রোতে িস্থ'র পাথর মোহিত করে, প্রকৃতির অপূর্ব সাজে মুগ্ধতায় শিহরিত হয় মন। সমুদ্র সমতল হতে ৭০০ফুট উচ্চতায় পাহাড়ের চুড়ায় দেবতার পুকুর রূপকথার দেবতার আশীর্বাদের মতো সলিল বারির স্রোতহীন সঞ্চার। পাঁচ একর আয়তনের এ পুকুরটির স্বচ্ছ জলরাশির মনভোলা প্রাশান্তি। মুহূর্তের মাঝে পর্যটকদের হৃদয় মন উদাস করে দেয়। পুকুরের চতুর্দিকে ঘন বন, যেন সৌন্দর্য্যের দেবতা বর নিয়ে দাঁড়িয়ে। কথিত আছে,স্থানীয় বাসিন্দাদের জল তৃষ্ণা নিবারণের জন্য স্বয়ং জল-দেবতা এ পুকুর খনন করেন। পুকুরের পানিকে স্থানীয় লোকজন দেবতার আশীর্বাদ বলে মনে করে। প্রতি বছর চৈত্র সংক্রান্তিতে বিভিন্ন সমপ্রদায়ের হাজার হাজার নরনারী পূণ্য লাভের আশায় পুকুর পরিদর্শনে আসে। ত্রিপুরা ভাষায় 'মাতাই' অর্থ দেবতা আর 'পুখুরি' অর্থ পুকুর। স্থানীয়ভাবে এটি মাতাই পুখুরি নামেও পরিচিত।
  • ভগবান টিলা: জেলার মাটিরাংগা উপজেলা থেকে সোজা উত্তরে ভারত সীমান্তে অবসি'ত ভগবান টিলা। জেলা সদর থেকে এর কৌণিক দুরত্ব আনুমানিক ৮৫কিঃমিঃ উত্তর-পশ্চিমে। ঘন সবুজের ভিতর আঁকা-বাঁকা রাস্তা দিয়ে যতই এগিয়ে যাওয়া যায় পাহাড়ের অপরূপ নৈসর্গে অপলক নেত্র ততই বিস্ময়-বিহ্বল হয়। এ যেন বিধাতার নিজ হাতে গড়া পর্বত রূপসী। সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় ১৬০০ফুট উঁচুতে অবসি'ত এ টিলা সম্পর্কে কথিত আছে,এতো উচুঁ টিলায় দাঁড়িয়ে ডাক দিলে স্বয়ং স্রষ্টাও ডাক শুনতে পাবেন। প্রাচীন লোকজন এ টিলাকে “ভগবান টিলা” নামকরণ করেছিলেন। সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ রাইফেলসের একটি আউট পোষ্টও আছে এখানে। সুউচ্চ পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের দাঁড়ালে মনে হয়,আপন অস্তিত্ব শূন্যের নিঃসীমতায় হারিয়ে গেছে। ঘন সবুজ বাঁশের ঝোপ,নাম-না জানা পাখির ডাক,পাহাড়ের নীচ দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝর্ণার জীবন্ত শব্দ-সবকিছু মিলিয়ে হারিয়ে যাওয়ার এক অনন্য লীলাভূমি।
  • দুই টিলা ও তিন টিলা : প্রকৃতির এক অপূর্ব বিষ্ময় এই দুই টিলা ও তিন টিলা। জেলা সদর থেকে মাত্র ৪২ কিঃমিঃ দুরে খাগড়াছড়ি-দিঘীনালা-মারিশ্যা রাস্তার কোল ঘেঁষে এই টিলায় দাঁড়ালে ভূগোল বিধৃত গোলাকৃতি পৃথিবীর এক চমৎকার নমুনা উপভোগ করা যায়। পাহাড় চুড়ায় দাঁড়িয়ে যেদিকে চোখ যায়, মনে হয় যেন পৃথিবীর সমস্ত সবুজের সমারোহ এখানেই সমষ্টি বেঁধেছে। এই টিলার অচেনা দৃশ্য যেন ক্যানভাসের উপর কোন বিখ্যাত চিত্রশিল্পীর তুলির আঁচড়।
  • রিছাং ঝর্ণা/তেরাং তৈকালাই ঝর্ণা: জেলা সদর থেকে আলুটিলা পেরিয়ে সামান্য পশ্চিমে মূল রাস্তা থেকে উত্তরে ঝর্ণা স'লের দুরত্ব সাকুল্যে প্রায় ১১কিঃমিঃ ঝর্ণার সমগ্র যাত্রা পথটাই দারুণ রোমাঞ্চকর। দূরের উঁচু-নীচু সবুজ পাহাড়,বুনো ঝোপ,নামহীন রঙ্গীন বুনো ফুল-এসব নয়নাভিরাম অফুরন্ত সৌন্দর্য যে কাউাকে এক কল্পনার রাজ্যে নিয়ে যায়। ঝর্ণার কাঝে গেলে এক পবিত্র স্নিগ্ধতায় দেহ-মন ভরে ওঠে। হাজার ফুট উঁচু থেকে নেমে আসা স্ফটিক-স্বচ্ছ জলরাশি নির্ঝরের স্বপ্নের মাতো অবিরাম প্রবহমান। মারমা ভাষায় 'রি' শব্দের অর্থ পানি, আর 'ছাং' শব্দের অর্থ গড়িয়ে পড়া। একই অর্থে ত্রিপুরা ভাষা তেরাং তৈকালাই নামেও এটি পরিচিত।
  • পর্যটন মোটেল,খাগড়াছড়ি: নির্মাণ শৈলীর এক অপূর্ব নিদর্শন খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেল। সামপ্রতিক কালে নির্মিত এ মোটেলটি শহরের প্রবেশ মুখেই,পাশে বয়ে যেছে চেঙ্গীর শান্ত স্রোত কোন এক পূর্ণিমার রাতে চাঁদের নরম আলোয় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাইলে খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেলের বিকল্প নেই। ৬.৫০একর জমির উপরে নির্মিত এ মোটেলে মোট কক্ষ সংখ্যা ২৫টি। তন্মধ্যে ১৫টি নন-এসি কক্ষ,০৯টি এসি কক্ষ ও ০১টি ভিআইপি স্যুট। ১০০আসন বিশিষ্ট কনফারেন্স কক্ষ ছাড়াও এখানে আছে ৫০আসনের চমৎকার রেষ্টুরেন্ট।
  • পাহাড়ী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র :খাগড়াছড়ি শহর থেকে মাত্র তিন কিঃমিঃ পূর্বেই কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। সবুজের অফুরন্ত সমারোহ আর স্বপ্নীল আবেশে যদি নিজেকে ভুলতে চাইলে কৃষি গবেষণা কেন্দ্রই আদর্শ স্থান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপার লীলাভূমি এ কেন্দ্রটি। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী আসে শুধু সবুজের স্নিগ্ধতা মন্থনের আশায়।
  • শতায়ূ বর্ষী বটগাছ: মাটিরাংগা উপজেলার খেদাছড়ার কাছাকাছি এলাকায় এ প্রাচীন বটবৃক্ষ শুধু ইতিহাসের সাক্ষী নয় এ যেন দর্শনীয় আশ্চর্যের কোন উপাদান। পাঁচ একরের অধিক জমির উপরে এ গাছটি হাজারো পর্যটকের কাছে দারুণ আকর্ষণীয়। মূল বটগাছটি থেকে নেমে আসা প্রতিটি ঝুড়িমূল কালের পরিক্রমায় এ একটি নতুন বটবৃক্ষের পরিণত হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, ঝুড়ি মূল থেকে সৃষ্ট প্রতিটি বটগাছ তার মূল গাছের সাথে সন্তানের মতো জড়িয়ে আছে। কথিত আছে, এ বটবৃক্ষের নীচে বসে শীতল বাতাস গায়ে লাগালে মানুষও শতবর্ষী হয়।
  • জলপাহাড়: মাটিরাংগা উপজেলা পরিষদের পশ্চিম দিকে তাইন্দং সড়ক ধরে ৫ মিনিটের পথ অতিক্রম করলেই দেখা মিলবে বিনোদন পার্ক জলপাহাড়। লেক এবং পাহাড় বেষ্টিত দুই একর জায়গায় উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা পার্কটির উন্নয়ন সাধন করেছে।
  • বিজিবির জন্মস্থান: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় উপজেলার ১৯৭৫ সালের ২৯ জুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)এর গোড়াপত্তন হয়েছিল। তখন এ বাহিনীর নাম ছিল রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পূর্বে এর নাম ছিল ইপিআর অর্থাৎ ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেলস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে এর নাম হয় বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)। ২০১০ সাল হতে এ আধা সামরিক বাহিনীর নাম পরিবর্তন হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)।
  • রামগড় লেক: রামগড় উপজেলা পরিষদের সম্মুখে প্রায় ২৫০ মিটার লম্বা একটি হ্রদ।  হ্রদে দৃষ্টিনন্দন ঝুলন্ত ব্রীজ। এতে আনন্দ ভ্রমণের জন্য রয়েছে ছোট বড় বেশ কয়েকটি প্রমোদতরী। চারপাশে সুন্দর বাগান, আধুনিক লাইটিং, শান বাঁধানো সিঁড়ি এব মনমুগ্ধকর উদ্যান।
  • মানিকছড়ির রাজবাড়ীঃ  মানিকছড়ি উপজেলা সদরে রয়েছে মং সার্কেল চীফ (মংরাজা) এর রাজত্বকালীন সময়ের স্থাপত্য নকশায় তৈরি রাজবাড়ী। রাজার সিংহাসনসহ বিভিন্ন মূল্যবান অস্ত্রসস্ত্র ও প্রত্নতাত্তিক অনেক সমৃতি বিজড়িত এই রাজবাড়ীটি।
  • সাজেক: রাংগামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকের অবস্থান হলেও এর যোগাযোগ ব্যবস্থা খাগড়াছড়ি জেলার সাথে। জেলা সদর থেকে ৬৩ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। আয়তনের দিকে থেকে দেশের বৃহত্তম ইউনিয়ন পাহাডিয়া সাজেক। এখানে কঠিন জীবন সংগ্রামে জয়ী পাংখো-লুসাই আর ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর অবস্থান। সেনাবাহিনীর নিবিড় পরিকল্পনা ও পরিচর্যায় সাজেক-কে দিয়েছে ভিন্ন নান্দনিকতা।
  • আরও অনেক কিছু: এসব স্থান ছাড়াও মহালছড়ি হ্রদ, বিভিন্ন ঝর্ণা স্পট, দিঘীনালা বড়াদম দীঘি,রামগড়ের চা বাগান ইত্যাদি চমৎকার দর্শনীয় স্থান। জেলার একমাত্র ষ্টেডিয়ামটি দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থান বললে মোটেই অত্যুক্তি হবে না। কেননা, ১৯৯৭খ্রিষ্টাব্দে শান্তিচুক্তির অব্যবহিত পরেই বহুল আলোচিত শান্তিবাহিনীর অস্ত্র সমর্পন অনুষ্ঠান হয়েছিল এ খাগড়াছড়ি ষ্টেডিয়ামেই।

       # খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পর্যটন শিল্প/দর্শনীয় স্থান  সম্পর্কিত বিস্তারিত "মিডিয়ার পার্বত্য চট্টগ্রাম" এ লিংক হিসেবে দেয়া হয়েছে।

চেয়ারম্যান
জনাব জিরুনা ত্রিপুরা
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ।
চেয়ারম্যান এর বার্তা
গুরুত্বপূর্ণ লিংক
পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ
রাঙ্গামাটি পাবর্ত্য জেলা পরিষদ
বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা পরিষদ
জেলা প্রশাসক, খাগড়াছড়ি
জেলা প্রশাসক, রাঙ্গামাটি
জেলা প্রশাসক,বান্দরবান
পাবর্ত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড
বাংলাদেশ আইন
বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
ই-বুক
সেবাকুঞ্জ
জাতীয় ই-তথ্যকোষ
অনলাইনে চালান যাচাইকরণ
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
বিচার বিভাগীয় বাতায়ন,বাংলাদেশ
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
বাংলাদেশ ফরমস
দুদকে স্হাপিত হটলাইন নম্বর ১০৬ (টোল ফ্রি)
সরকারি তথ্য ও সেবা-৩৩৩
জরুরী সেবা-৯৯৯
দূর্যোগের আগাম বার্তা-১০৯০
মুজিব ১০০
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)
এ ডি পি/আর এ ডি পি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
ফটোগ্যালারি
সামাজিক যোগাযোগ
সর্বমোট ব্রাউজ সংখ্যা
সর্বোমোট হিটঃ ৭৪৬১৯৫
আজকের হিটঃ৫৭